
আশুলিয়া প্রতিনিধি
জামিনে মুক্ত হয়ে ফের উত্তপ্ত “স্পেশাল সাংবাদিক ৬৪জেলা” এসকে শফিক।
বাদীসহ সাংবাদিকে হত্যার হুমকি
এসকে শফিকের নিকট থাকা বিদেশি চাইনিজ কুড়ালসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে তার বিরুদ্ধে মামলা না করা জামিনে এসে ফের হত্যার হুমকি দেওয়ায় চরম উত্তেজনার বিরাজ করছে এলাকাবাসীদের মধ্যে।
সিহাব শেখ বিশেষ প্রতিনিধি
এলাকাবাসী ও উপস্হিত জনতার তুপের মুখে এসকে শফিকুল ইসলাম (শুভ)কে আটক করলেও জব্দ করেনি তার কাছে থাকা অবৈধ্য দেশীয় অস্ত্র।
ঢাকার আশুলিয়ার নবীনগরের নিরিবিলি এলাকার বাঁশতলা ফকির বাড়ি মোড় (প্রফেসর বাড়ি) এলাকায় এলাকাবাসী ও উপস্হিত জনতার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এলাকার কুক্ষেত সন্ত্রাসী চাদাবাজ মাদক কারবারি এসকে শফিকুল ইসলাম (শুভ) ওরফে শফিককে আটক করে আশুলিয়া থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে এলাকাবাসী ও উপস্থিত জনতা এসকে শফিকের অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ডে বাধা দিলে এসকে শফিক উপস্থিত জনতার উপর প্রচন্ড খেপে যায়এবং অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করতে করতে থাকে। এক পর্যায়ে তার কাছে থাকা চাইনিজ কুড়াল উঠিয়ে কুপাতে তেড়ে আসে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে এলাকাবাসী তাকে ঘিরে ফেলে। সাংবাদিক খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শফিকে নিকট তার পরিচয় জানতে চায়লে শফিক জানায়, সে স্পেশাল ক্রাইম রিপোর্টার ৬৪ জেলা ও গন-অধিকার পরিষদের একজন নেতা। সে তার নির্বাচনী এলাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর হতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণও করেছিলেন।
তার প্রকৃত নাম মো. শফিকুল ইসলাম ওরফে এসকে শুভ (৩৯), পিতা—মৃত আব্দুল হালিম। তার স্থায়ী ঠিকানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাহেরচর এবং বর্তমান ঠিকানা আশুলিয়ার এনায়েতপুর এলাকায়।
এক পর্যায়ে সে সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে তার নিকট থাকা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সাংবাদিক উপরও চড়াও হয়। সাংবাদিক ও জনতা আশুলিয়া থানা পুলিশকে একাধিক বার ফোন করেও পুলিশের সহযোগীতা না পেয়ে ৯৯৯ এ কল দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় তার নিকট কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র, যার মধ্যে একটি চাইনিজ কুড়াল ও একটি হকিস্টিক পাওয়া যায় বলে পুলিশ সূত্র জানায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে এসকে শফিকের নিকট দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধারের পরও প্রথমদিকে বিভিন্ন প্রভাবের কারণে তাকে আটক করা হচ্ছিল না। পরে এলাকাবাসীর প্রতিবাদের মুখে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নেওয়া হলেও তার হেফাজতে থাকা অস্ত্র শব্দ করে নাই।
কেন অস্ত্র জব্দ করা হলো না সাংবাদিদের এমন প্রশ্নের জবাবে আশুলিয়া থানার ওসি বলেন, এসকে শফিক জানিয়েছে এখানে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ও নিজের নিরাপত্তার জন্য চাইনিচ কুড়ালসহ দেশীয় অস্ত্র রাখতে পারেন।
পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায় তার বিরোদ্ধে অন্য আরো একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে আশুলিয়া থানায় ১২৬ নং, তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৬, দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮ ও ৫০৬ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে তাকে হাজতে পাঠানো হয়েছিল।
পুরো ঘটনার জন্য এলাকাবাসী ও উপস্থিত জনতা ওসিকে দায়ী করেছন।