বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বীরগঞ্জে বিদেশে পাঠানোর নামে ৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অর্থ ফেরত না পেয়ে গরু নিয়ে যাওয়ায় উত্তেজনা আশুলিয়া বিদেশে পাঠিয়ে প্রতারণা, ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ কাতারে চাকরির প্রলোভনে প্রতারণার অভিযোগ, আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ এএসআই নির্বাচিত কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানার সুজেল কাহারোল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম, জাতীয়করণের আশ্বাস বানারীপাড়ার ব্রাহ্মণকাঠীতে নদীভাঙন কবলিত পরিবারের পাশে এমপি সান্টু, ত্রাণ বিতরণ আশুলিয়ায় পরিত্যক্ত বাড়িতে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন ঢাকার শেরেবাংলা নগরের জাতীয় বৃক্ষ মেলা ২০২৬ বর্ণাঢ্য আয়োজনে বীরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ব্রিটেনে বিশ্বনাথের ইছমাইল উদ্দিনের ব্যাচেলর ডিগ্রী অর্জন

আশুলিয়ায় পরিত্যক্ত বাড়িতে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন

আজকের দৃষ্টি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার | আশুলিয়া

ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের তৈয়বপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়িকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ খাদ্য জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে গভীর রাতে ওই বাড়িতে ঘোড়া জবাই করে সেই মাংস গরু কিংবা খাসির মাংস হিসেবে রাজধানীর উত্তরা, গাজীপুরের কাশিমপুর এবং সাভার-আশুলিয়ার বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ ও বিরিয়ানির দোকানে সরবরাহ করা হতো।

স্থানীয়দের ভাষ্য, দিনের বেলায় বাড়িটি প্রায় জনমানবশূন্য থাকলেও রাত গভীর হলেই সেখানে শুরু হতো ঘোড়া জবাই, চামড়া ছাড়ানো এবং মাংস প্রক্রিয়াজাতের কাজ। পরে ভোর হওয়ার আগেই মাংস প্যাকেটজাত করে বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হতো বলে অভিযোগ।

সম্প্রতি সংবাদকর্মী ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িতরা পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, ঘটনাস্থলে ঘোড়া জবাইয়ের বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিন রাত ১০টা থেকে ১২টার মধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে ঘোড়া এনে সেখানে জবাই করা হতো। এরপর রাতের মধ্যেই মাংস প্যাকেটজাত করে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হতো।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আলফাজ নামে এক ব্যক্তি এই চক্রের সঙ্গে জড়িত। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, অভিযোগটি প্রশাসনের নজরে এসেছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আশুলিয়া থানাকে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে শুধু জবাইকারী নয়, মাংস সংগ্রহ, পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি হোটেল-রেস্তোরাঁয় ব্যবহৃত মাংসের উৎস নিয়মিত তদারকিরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

উল্লেখ্য, ঘটনাটি তদন্তাধীন। অভিযোগের সত্যতা প্রশাসনিক তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে নিশ্চিত হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2026 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102